• প্রথম পাতা
  • সর্বশেষ
  • আমাদের অধিকার
  • আমাদের কথা
  • যোগাযোগ /অভিমত
  • উল্লেখযোগ্য মামলা
  • More
    • প্রথম পাতা
    • সর্বশেষ
    • আমাদের অধিকার
    • আমাদের কথা
    • যোগাযোগ /অভিমত
    • উল্লেখযোগ্য মামলা
  • প্রথম পাতা
  • সর্বশেষ
  • আমাদের অধিকার
  • আমাদের কথা
  • যোগাযোগ /অভিমত
  • উল্লেখযোগ্য মামলা

সহজ ভাষায় নাগরিক অধিকার

সহজ ভাষায় নাগরিক অধিকার সহজ ভাষায় নাগরিক অধিকার সহজ ভাষায় নাগরিক অধিকার

মুসলিম পারিবারিক আইন

মুসলিম আইন এ বৈধ বিয়ের জন্য কি কি শর্ত পালন করতে হয়?

মুসলিম আইন এ বিয়ে কি?

 মুসলিম পারিবারিক আইনের মূল উৎস হল শরিয়া আইন। শরিয়া আইনের মূল ভিত্তি হল প্রথমে কোরআন, তারপর হাদিস। এছাড়াও শরিয়া আইন আরও বিভিন্ন পন্থায় ক্রমবিবর্তিত হয়ে মুসলিম পারিবারিক আইন হিসেবে বর্তমান চেহারা পেয়েছে। উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, ঐতিহাসিক কারণে এবং বিবর্তনের স্বাভাবিক নিয়মে বিভিন্ন সময়ে নতুন নতুন আইন পাশ করে মুসলিম পারিবারিক আইনের সংশোধন, সংযোজন ও পরিবর্তন করা হয়েছে। কাজেই বর্তমানে বাংলাদেশে প্রচলিত মুসলিম পারিবারিক আইন যদি ধর্মীয় পারিবারিক বা শরিয়া আইন থেকে কিছু ক্ষেত্রে পৃথক। এই পরিবর্তন সময়ের দাবিকে মনে রেখেই করা হয়েছে।  

মুসলিম আইন এ বিয়ে কি?

মুসলিম আইন এ বৈধ বিয়ের জন্য কি কি শর্ত পালন করতে হয়?

মুসলিম আইন এ বিয়ে কি?

মুসলিম আইন অনুযায়ী বিয়ে একটি দেওয়ানী চুক্তি। অন্যান্য চুক্তির মতই এতে দু’টি পক্ষ থাকে। একপক্ষ বিয়ের প্রস্তাব করে ও অপরপক্ষ তা গ্রহণ করে। তবে দু’পক্ষকেই কিছু আইনগত শর্ত পূরণ করতে হয়। শর্তগুলো পালনের মাধ্যমে এক পক্ষের প্রস্তাব দেওয়া ও অপর পক্ষের প্রস্তাব গ্রহণের পর একটি বিয়ে সম্পন্ন হয়। এই প্রস্তাব দেওয়া ও গ্রহণ করা একই বৈঠকে হতে হয়।

মুসলিম আইন এ বৈধ বিয়ের জন্য কি কি শর্ত পালন করতে হয়?

মুসলিম আইন এ বৈধ বিয়ের জন্য কি কি শর্ত পালন করতে হয়?

মুসলিম আইনে বিবাহবদ্ধ দম্পতির কি কি দায়িত্ব ও অধিকার জন্মায়?

মুসলিম পারিবারিক আইনে একটি পূর্ণাঙ্গ বিয়ের জন্য নিচের শর্তগুলো পূরণ করতে হয়।

১। বয়স ঃ বিয়ের জন্য ছেলের বয়স কমপক্ষে ২১ বছর এবং মেয়ের বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে।

২। সম্মতি ঃ বিয়ের জন্য ছেলে ও মেয়ে উভয়ের অবশ্যই সম্মতি থাকতে হবে।

৩। সাক্ষী ঃ বিয়েতে দু’জন সুস্থ মস্তিষ্কের প্রাপ্তবয়স্ক সাক্ষী থাকতে হবে।

৪। দেনমোহর ঃ বিয়েতে অবশ্যই দেনমোহর থাকতে হবে, দেনমোহর অবশ্যই পরিশোধযোগ্য এবং কোনও অবস্থায় মাফ হয় না।

৫। রেজিষ্ট্রশন ঃ বিয়ে অবশ্যই রেজিষ্ট্রি করতে হবে। রেজিষ্ট্রেশন বিয়ের প্রামাণ্য দলিল।

মুসলিম আইনে বিবাহবদ্ধ দম্পতির কি কি দায়িত্ব ও অধিকার জন্মায়?

মুসলিম আইনে বিবাহবদ্ধ দম্পতির কি কি দায়িত্ব ও অধিকার জন্মায়?

মুসলিম আইনে বিবাহবদ্ধ দম্পতির কি কি দায়িত্ব ও অধিকার জন্মায়?

  

বিয়ের ফলে নারী ও পুরুষের পারস্পরিক কিছু দায়িত্ব ও অধিকার জন্মায়। যেমন-

(১) স্বামী ও স্ত্রী পরস্পরের সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়।

(২) স্ত্রী বিবাহিত থাকা অবস্থায় আর একটি বিয়ে করতে পারেনা এবং স্ত্রীর অনুমতি ও আইনগত শর্ত পূরণ ছাড়া স্বামী দ্বিতীয় বা একাধিক বিয়ে করতে পারেনা।

(৩) স্ত্রী স্বামীর কাছ থেকে দেনমোহর ও ভরণপোষণ পাবার অধিকারী হয়।

(৪) যে সব সন্তান জন্মায় তারা পিতা-মাতার সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়।

কম বয়সে বিয়ে করলে সেই বিয়ের পরিনতি কি?

মুসলিম আইনে বিবাহবদ্ধ দম্পতির কি কি দায়িত্ব ও অধিকার জন্মায়?

কম বয়সে বিয়ে করলে সেই বিয়ের পরিনতি কি?

  

বাল্য বিবাহ আইনত দণ্ডনীয় । 

(১) প্রাপ্ত বয়স্ক কোন ব্যক্তি যদি কোন নাবালক বা শিশুকে বিয়ে করে , তার একমাস পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদন্ড বা এক হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা বা দু’টোই হতে পারে। নাবালক মেয়ে বা নাবালক ছেলের কোন শাস্তি হবে না। তবে এই আইনে কোন মহিলাকে কারাদন্ড দেওয়া হয় না, জরিমানা হতে পারে। 

(২) যে কোন ব্যক্তি নাবালকের বিয়ে সম্পন্ন করলে, পরিচালনা করলে বা বিয়ে অনুষ্ঠানের নির্দেশ দিলে এবং নাবালকের অভিভাবক বা পিতা-মাতা ঐ বিয়ে সম্পন্ন করার নির্দেশ দিলে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড বা এক হাজার টাকা জরিমানা বা দু’টোই হতে পারে।

বাল্য বিবাহের কারণে উপরে উল্লিখিত ব্যক্তিরা শাস্তি পায়, কিন্তু বিয়েটি বৈধ থাকে। অর্থাৎ বিয়েটি বাতিল হয় না।

বাল্য বিবাহ কি বাতিল করা যায়?

মুসলিম আইনে বিবাহবদ্ধ দম্পতির কি কি দায়িত্ব ও অধিকার জন্মায়?

কম বয়সে বিয়ে করলে সেই বিয়ের পরিনতি কি?

  

যে সব ছেলে কিংবা মেয়েকে বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছানোর আগেই বিয়ে দেওয়া হয়, তারা বয়ঃপ্রাপ্ত হবার পর অর্থাৎ ১৫ বছর বয়স হবার পর এই বিয়ে বাতিল করে দিতে পারে।

কোন ক্ষেত্রে বাল্য বিবাহে আবদ্ধ কোন মেয়ে (ছেলে) ১৫ বছর বয়স প্রাপ্তির পর যদি বিয়েটিতে পুন:সম্মতি না দেয় এবং এর পরে ১৮ বছর পেরিয়ে যায় এবং আবার বিয়ে করে সেক্ষেত্রে ধরে নেয়া হবে বাল্য বিবাহকে সে বাতিল করে দিয়েছে।

Site Content

ভয় দেখিয়ে বা জোর করে দেয়া বিয়ের পরিনতি কি?

ভয় দেখিয়ে বা জোর করে দেয়া বিয়ের পরিনতি কি?

ভয় দেখিয়ে বা জোর করে দেয়া বিয়ের পরিনতি কি?

  

বিয়ের জন্য ছেলে ও মেয়ে দু’জনের সম্মতি অবশ্যই প্রয়োজন। চুক্তির ক্ষেত্রে যেমন দুই পক্ষের সম্মতি দরকার তেমনি বিয়েতেও সম্মতি অন্যতম শর্ত। ভয় দেখিয়ে বা জোর করে ছেলে ও মেয়ে দু’জনের সম্মতিহীন বিয়ে অবৈধ। শুধু তাই নয় এরকম বিয়েতে যারা জড়িত তাদের ফৌজদারী আইনে কঠোর শাস্তি পেতে হবে।

দেনমোহর এর অধিকার মানে কি?

ভয় দেখিয়ে বা জোর করে দেয়া বিয়ের পরিনতি কি?

ভয় দেখিয়ে বা জোর করে দেয়া বিয়ের পরিনতি কি?

  

মুসলিম বিয়েতে দেনমোহর হল স্বামীর কাছে স্ত্রীর এক প্রকার বিশেষ অধিকার। বিয়ের চুক্তিতেই সাধারণত দেনমোহরের পরিমাণ এবং তাৎক্ষণিক ও বিলম্বিত দেনমোহর নির্ধারিত ও লিখিত থাকে। সাধারণত দেনমোহরের কিছু পরিমাণ বিয়ের সময়ই তাৎক্ষণিক দেনমোহর হিসেবে দেয়া হয় এবং তা নিকাহ্্নামায় লিখিত থাকে আর বাকি অংশ বিলম্বিত দেনমোহর হিসেবে ধরা হয়।

দেনমোহর কি তালাকের সময় দিতে হয়?

ভয় দেখিয়ে বা জোর করে দেয়া বিয়ের পরিনতি কি?

স্ত্রী কে দেয়া উপহার কি দেনমোহর হিসেবে গণ্য হয়?

  

প্রচলিত ধারণা আছে যে, তালাকের কারণে দেনমোহর দিতে হয়। কিন্তু এটি একটি ভুল ধারণা। দেনমোহর বিয়ের শর্ত। তালাকের সাথে এর সম্পর্ক নেই। বিবাহিত অবস্থায় দেনমোহর পরিশোধ করা না হলে বিয়ে-বিচ্ছেদের পর দেনমোহর পরিশোধের দাবি ওঠে।

দেনমোহরের দু’টি অংশ থাকে।

(ক) তাৎক্ষণিক দেনমোহর : তাৎক্ষণিক দেনমোহর চাওয়া মাত্র পরিশোধ করতে হয়।

(খ) বিলম্বিত দেনমোহর : বিলম্বিত দেনমোহর বিয়ের পর যে কোন সময়ে পরিশোধ করলে চলে। তবে মৃত্যু বা বিয়ে-বিচ্ছেদের পরে এই দেনমোহর অবশ্যই পরিশোধ করতে হয়। তখন এই দেনমোহর স্ত্রীর কাছে স্বামীর ঋণসরূপ।

স্ত্রী কে দেয়া উপহার কি দেনমোহর হিসেবে গণ্য হয়?

স্ত্রী কে দেয়া ভরণপোষণ কি দেনমোহর হিসেবে গণ্য হয়?

স্ত্রী কে দেয়া উপহার কি দেনমোহর হিসেবে গণ্য হয়?

  

স্বামী যদি স্ত্রীকে বিয়ের পর কোন উপহার দেয় পরে সেটাকে দেনমোহর বলে দাবি করতে পারবেনা। যদি উপহার দেওয়ার সময় “দেনমেহার বাবদ” কথাটি লেখা থাকে তবেই তা দেনমোহর বলে বিবেচিত হবে। যেমন : জমি হস্তান্তরের দলিলে “দেনমোহর বাবদ” কথাটি লেখা না থাকলে স্বামী স্ত্রীকে যত বেশি পরিমাণ জমিই দিক না কেন তা দেনমোহর হিসেবে ধরা যাবে না। দেনমোহর কোন উপহার নয়। এটি আইনগত একটি শর্ত, কাজেই দেনমোহর পরিশোধ করা হলে তা পরিষ্কারভাবে আইনগত দলিলে লিখে রাখা প্রয়োজন।

স্ত্রী কে দেয়া ভরণপোষণ কি দেনমোহর হিসেবে গণ্য হয়?

স্ত্রী কে দেয়া ভরণপোষণ কি দেনমোহর হিসেবে গণ্য হয়?

স্ত্রী কে দেয়া ভরণপোষণ কি দেনমোহর হিসেবে গণ্য হয়?

  

বিবাহিত অবস্থায় স্ত্রীকে ভরণপোষণের জন্য স্বামীর যে খরচ তা কোনভাবেই দেনমোহরের অংশ নয়। আবার বিয়ে-বিচ্ছেদের ফলে স্বামী স্ত্রীকে যে ভরণপোষণ দেয় তাও দেনমোহরের অংশ নয়। দেনমোহর এবং ভরণপোষণ দু’টি সম্পূর্ণ ভিন্ন জিনিস। একটি পরিশোধ করলে অপরটি মাফ হয়ে যায় না। 

স্ত্রী নিজ ইচ্ছায় কি দেনমোহর মাফ করতে পারে?

স্ত্রী কে দেয়া ভরণপোষণ কি দেনমোহর হিসেবে গণ্য হয়?

স্ত্রী কে দেয়া ভরণপোষণ কি দেনমোহর হিসেবে গণ্য হয়?

  

স্ত্রী দেনমোহর মাফ করতে পারে। যদিও স্বামী চাইল আর স্ত্রী সাথে সাথে মাফ করে দিলো, দেনমোহরের বিষয়টা এত সহজ নয়। সহজে দেনমোহর মাফ হয় না। স্ত্রী মৌখিক বা লিখিতভাবে মাফ করলেও কিছু কিছু কারণে দেনমোহর মাফ হয়না। দেনমোহর মাফ করার সময় স্ত্রীর পূর্ণ সম্মতি থাকতে হবে। একই সাথে তাকে স্বেচ্ছায়, কোন রকম প্ররোচনা ছাড়া মুক্তমনে দেনমোহর মাফ করতে হবে।

Site Content

বিয়ে রেজিস্ট্রেশান করা কি বাধ্যতামূলক?

বিয়ে রেজিস্ট্রেশান করা কি বাধ্যতামূলক?

বিয়ে রেজিস্ট্রেশান করা কি বাধ্যতামূলক?

  

বিয়ে রেজিষ্ট্রেশনের গুরুত্ব অনেক বেশী। কারণ এটি হচ্ছে বিয়ের লিখিত প্রমাণ।আইন অনুযায়ী প্রত্যেকটি বিয়ে রেজিষ্ট্রি করতে হবে। রেজিষ্ট্রেশন না করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

আইন অনুযায়ী বিয়ের দিন কিংবা বিয়ের ১৫ দিনের মধ্যে রেজিষ্ট্রি করা যায়।বিয়ের পর নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে, যেমন-স্ত্রী ও সন্তানকে যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া ভরণপোষণ না দিলে, স্ত্রীর বিনা অনুমতিতে আরেকটি বিয়ে কররে বা স্ত্রীকে তালাক দিয়ে দেনমোহর থেকে বঞ্চিত করলে, প্রতারণা করে বিবাহিত থাকা অবস্থায় আর কাউকে বিয়ে করলে- এসব ক্ষেত্রে স্ত্রী আদালতে নালিশ করতে চাইলে প্রথমেই বিয়ের প্রমাণ হিসেবে রেজিষ্ট্রিকৃত নিকাহ্্নামা আদালতে জমা দিতে হবে। রেজিষ্ট্রেশন না কররে বিয়েটি বাতিল বা অবৈধ হয় না, বৈধই থাকে। কিন্তু রেজিষ্ট্রি ছাড়া বিয়েতে সমস্যা বা বিরোধ সৃষ্টি হলে বেশ কিছু আইনগত অসুবিধা সৃষ্টি হয়।

বিয়ে বিচ্ছেদ বা তালাক দেয়ার নিয়ম কি?

বিয়ে রেজিস্ট্রেশান করা কি বাধ্যতামূলক?

বিয়ে রেজিস্ট্রেশান করা কি বাধ্যতামূলক?

  

মুসলিম আইনে বিয়ে একটি চুক্তি, তাই এই চুক্তি নানা কারণে সমাপ্ত বা ভঙ্গ করা যায়। অর্থাৎ এই আইনে বিয়ের চুক্তি ভেঙ্গে বিয়ে-বিচ্ছেদ ঘটানো যায়। বিয়ের মাধ্যমে স্থাপিত সম্পর্ককে আইনসিদ্ধ উপায়ে ভেঙ্গে দেওয়াকে বিয়ে-বিচ্ছেদ বলে। স্বামী বা স্ত্রী যে কোন একজনের মৃত্যুতে একটি মুসলিম বিয়ের বিচ্ছেদ ঘটতে পারে। তবে স্বামী বা স্ত্রী যে কোন একজনের ইচ্ছেতেও (কিছু আইনগত শর্ত পূরণের মাধ্যমে) বিয়ে-বিচ্ছেদ হতে পারে।  .

Display real testimonials

বিয়ে রেজিস্ট্রেশান করা কি বাধ্যতামূলক?

Display real testimonials

Are your customers raving about you on social media? Share their great stories to help turn potential customers into loyal ones.

Promote current deals

Promote current deals

Display real testimonials

Running a holiday sale or weekly special? Definitely promote it here to get customers excited about getting a sweet deal.

Share the big news

Promote current deals

Share the big news

Have you opened a new location, redesigned your shop, or added a new product or service? Don't keep it to yourself, let folks know.

Display their FAQs

Promote current deals

Share the big news

Customers have questions, you have answers. Display the most frequently asked questions, so everybody benefits.


Copyright © 2023 Aynerkotha.com - All Rights Reserved.

  • আমাদের অধিকার
  • আমাদের কথা
  • যোগাযোগ /অভিমত

Powered by